নির্যাতনের অভিযোগে সোনাইমুড়ী থানার ২ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

অক্টোবর ২৭, ২০১৫ ০৪:১০:পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়ার্কশপ মালিক ও কর্মচারীকে নির্যাতনের অভিযোগে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার কনেস্টেবল কল্যাণ ও ফরিদকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করেছেন। পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরিফ অভিযোগের সত্যতা পেয়ে রোববার তাদেরকে ক্লোজড করার আদেশ দেন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকালে বাইপাসে আয়েশা পেট্রল পা¤েপর পাশে বাবু ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে গিয়ে থানার একটি গাড়ি সার্ভিসিং করার জন্য মালিক মোঃ বাবু ও কর্মচারী আজিজকে বললে তারা অনিহ প্রকাশ করে। পরে কনেস্টেবল কল্যাণ ও ফরিদ ওয়ার্কশপের মালিক মোঃ বাবুকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। তার আÍচিৎকারে ওয়ার্কশপের কর্মচারী আজিজ এগিয়ে এলে তাকেও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাÍক আহত করে। লাঠির আঘাতে তাদের দেহ থেকে রক্ত ঝরছিল। এ অবস্থায় ফিল্মি স্টাইলে তাদেরকে টেনে হেঁচড়ে থানায় নিয়ে ডিউটি অফিসার রুমে ১ ঘন্টা আটক করে রেখে আবারো মারধর করে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জেনে থানায় গিয়ে জড়ো হলে ডিউটি অফিসার এসআই মাসুদ আলম ও ঐ ২ কনেস্টেবল ডিউটি অফিসারের রুমে তাদের কাছ থেকে সাদা কাগজে মুচলেকা নেয়।

সোনাইমুড়ী থানার ওসি কাজী হানিফুল ইসলামের কাছে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে তিনি রহস্যজনক কারণে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে উল্টো তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হাজত বাস করাবেন বলে হুমকী দেয়। পরে ওসি কাজী হানিফুল ইসলাম স্থানীয় লোকজনের চাপে পড়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওয়ার্কশপ মালিক ও কর্মচারীকে ১ হাজার টাকা দেয়। ঘটনাটি নোয়াখালী পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরিফ অভিযোগ পেয়ে রবিবার কনেস্টেবল কল্যাণ ও ফরিদকে ক্লোজড করেন।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরিফ উক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ২ কনেস্টেবলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ পেয়ে তাদের ক্লোজড করা হয়েছে।

Related Post