নোয়াখালীর সদর পৌরসভার বেহাল দশা

জুলাই ২৭, ২০১৫ ০৭:০৭:অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নোয়াখালীর সদর উপজেলার সড়কের চেহারা দেখলে বুঝার উপায় নেই এটি অন্যতম গরুত্বপূর্ণ সড়ক। দূর থেকে মনে হবে এটি বড় কোন পুকুর, ডোবা বা নালার ছবি। এসব সড়ক হয়ে জেলার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর গুলোর কার্যালয় ও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে।

পানি নিস্কাশনের ভালো কোন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটু পানিতে থৈ থৈ করে এ গরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রতিটি সড়কে। এতে প্রতিনিইতই ঘটছে ছোট- বড় অসংখ্য দূর্ঘটনা। বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের চিরচিনা অভ্যাস নিয়ে চলছে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে তর্কবিতর্ক। বছরের ১২ মাসই এসব সড়ক গুলোতে খানাখন্দে ভরা থাকে আর বর্ষা আসলেই দূর্ভোগ চরমে পৌছে জলাবন্ধতায়। একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় সড়ক গুলো। পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বছরের পর বছর ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলেও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় হতাশ এখানকার সাধারন বাসিন্দারা।

গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে রয়েছে জেলার প্রধান জামে মসজিদ, সার্কেট হাউজ (জেলা প্রশাসক কার্যালয়), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অদিদপ্তর, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, বিআরটিসি অফিস, খাদ্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়, স্কুল হেলথ ক্লিনিক, মাইজদী কোর্ট রেল স্টেশন, জেলা জজকোর্টে রোড, নোয়াখালী ক্লাব, মা ও শিশু হাসপাতালসহ ডজন খানিক সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দপ্তর।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, প্রভাতি স্কুল, খাদেমুল ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দারুল আজহার ক্যাডেট মাদ্রাসা, মদিনাতুল উলুম কাউমী মাদ্রাসা, মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস)।

এরমধ্যে জামে মসজিদ মোড় থেকে কোর্ট স্টেশন রোড, সার্কিট হাউজ রোড, ল’ইয়ার্স কলোনী সড়ক, খাদেমুল ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোড, বালিকা বিদ্যালয়েল পূর্ব  ও পশ্চিম দিকের সড়ক, ম্যাটসের পূর্ব দিক দিয়ে রেল সড়ক পর্যন্ত সড়ক গুলো পানির নিচে তলিয়ে আছে কয়েক সপ্তাহ।

সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েল গেট হয়ে মাঠের ভিতরে হাঁটু পানিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। একই অবস্থা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এর ভিতরেও।

>এ বিষয়ে নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র হারুনুর রশিদ আজাদের ফোনে বার বার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Related Post