পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের নিষ্ক্রিয়তায় মুছাপুরে ডাকাতি বেড়েছে

জুন ২৭, ২০১৬ ০১:০৬:অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিদেক:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর গ্রামে বৃষ্টি নামলেই ডাকাতের আতংকে ভুগেন গ্রামবাসী। গত ২ মাসে ১০ টি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য পুলিশের নিষ্ক্রীয়তা এবং জনপ্রতিনিধিদের দায়ী করেছেন মুছাপুর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান। নোয়াখালী সংবাদের সঙ্গে সাক্ষাতকারে মুছাপুরে ডাকাতি বেড়ে যাওয়ার কারণসহ নানাদিক তুলে ধরেন।
কামরুল হাসান বলেন, মুছাপুরের সঙ্গে ছোট ফেনী নদী হওয়ায় ডাকাতির অন্যতম কারন। মুছাপুর ও চরদরবেশ ইউনিয়নের স্থানীয় কয়েকজন ডাকাতের সহযোগীতায় ফেনী ও আশপাশের এলাকা থেকে ডাকাতরা ডাকাতি করতে আসে। ডাকাতি শেষে তারা নিরাপদে নদীর অন্যপাড়ে চলে যেতে পারে। নদীর দুই পাড়ে পুলিশের কোন টহল ব্যবস্থা নেই। এ কারনেই ডাকাতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা। তবে জনপ্রতিনিধি এবং পুলিশ যৌথভাবে কাজ করলে ডাকাতি নিয়ন্ত্র করা সম্ভব।
তিনি বলেন, স্থানীয়দের সহযোগীতায় বেশ কয়েকজন ডাকাত আটক হওয়ার পর ডাকাতি কমে এসেছে। তবে মানুষের মাঝে আতংক যায়নি।
কামরুল বলেন, ডাকাতি বা মাদক নিয়ে জনপ্রতিনিধি কারো কোনো মাথা ব্যাথা নাই, এ সব ব্যপারে জনপ্রতিনিধিরা যার যার আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত। পুলিশ প্রশাসনেরও তেমন গুরুত্ত নেই। আগের ওসি থাকতে যেভাবে আন্তরিকতার সহিত কাজ করেছে বর্তমান পুলিশের আন্তরিকতা নেই।
তিনি বলেন, ডাকাতদের কোন দল নেই। তারা ধরা পড়লে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গাইয়ে বাচার চেষ্টা করে। ডাকাতি এবং মাদক প্রতিরোধে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে কামরুল বলেন, ডাকাত ও মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সামাজিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এ সব কারণে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেকের শুত্রু হয়ে যাচ্ছি। প্রভাবশালী কয়েকজন থেকে হুমকির সমু্খ্খিন হয়েছি।শত বাধা আসলে আমি আমার কাজ করে যাবো।

Related Post