হাতিয়ায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জামা বিতরণ

জুলাই ০৬, ২০১৬ ০৮:০৭:অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পাঁচশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নতুন জামা ও ঈদ সালামি বিতরণ করেছে উপকূল নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করা সংগঠন উপকূল বাঁচাও আন্দোলন (উবা)। ঈদের দুই আগে মঙ্গলবার ও বুধবার সারাদিন সংগঠনটি উপকূলীয় অঞ্চল নোয়াখালীর হাতিয়ার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ঈদের নতুন জামা ও সালামি বিতরণ করেছে।

‘আমরাই পারি, আমরাই পারবো’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে হাতিয়ার ওছখালী, তমরুদ্দিন, নলচিরা, বুড়িরচর, সোনাদিয়া, চরচেঙ্গা ও মানিক বাজারসহ বেশ কটি ইউনিয়নে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে।

বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসানাত মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সোনাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম। সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরচেঙ্গা বাজার পপুলার অফিসে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রধান অতিথি মঈন বলেন, ‘উপকূল বাঁচাও আন্দোলনের বেশ কিছু কর্মসূচি সম্পর্কে আমি জেনেছি। অনেকেই আমাকে এ সংগঠনটিকে মডেল হিসেবে উদাহরণ দিয়েছে। এর মতো আরো যারা কাজ করছে তাদের বিষয়েও আমি খোঁজখবর রাখছি। তাদের জন্য আমার সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।’

ইউএনও আরো বলেন, ‘আজ সমাজে দারিদ্রতার কারণে অনেক বাবা তার সন্তানকে পড়ালেখা করাতে পারেন না। ঈদের সময় একটি নতুন জামা কিনে দিয়ে খুশি করতে পারেন না। আসলে আমরা যারা হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা খবর করে ঈদ করি এই খরচের টাকা থেকে যদি দরিদ্র শিশুদের জন্য একটা অংশ রাখি তাহলে তারাও উপকৃত হয়। দেখুন না আপনি যদি এই শিশুদের এক জন হতেন তখন আপনার থেকে কেমন লাগতো?’

উপকূল বাঁচাও আন্দোলনের মুখপাত্র শাহেদ শফিক বলেন, ‘সরকারের একার পক্ষে দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। আমরা প্রতিটি মানুষ প্রতিটি স্থানের জন্য যদি এক একজন সরকার হিসেবে কাজ করি তবে আমাদের দেশ আন অনুন্নত থাকবে না। আমরা চাই তরুণ সমাজকে জাগ্রত করে দেশকে বদলে দিতে। আমাদের বিশ্বাস তরুণরা জাগ্রত হলে সমাজও জাগ্রাত হবে। তাই সামাজি কাজে তরুণদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমাজকে বদলে দেয়ার এই উদ্যোগ আমরা হাতে নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সমাজ সেবক ও পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শামিমুজ্জামান শামীম, উপকূল বাঁচাও আন্দোলনের নেতা সারোয়ার হোসেন প্রমুখ।

Related Post